রাজধানীর হাজারীবাগে এজেআর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের একটি গুদামে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বারইখালী এলাকায় সিকদার মেডিকেল কলেজের পাশের গুদামটিতে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা সেখানকার বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল তছনছ করার পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা ও ল্যাপটপ নিয়ে পালিয়ে যায়।
হঠাৎ এ হামলায় গুদামে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুখে মাস্ক ও মাথায় হেলমেট পরা একদল ব্যক্তি গুদামে প্রবেশ করে ভাঙচুর শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। একপর্যায়ে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ল্যাপটপ নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীরা।
হাজারীবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহাদাত হোসেন আমার দেশকে বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের লোক পরিচয়ে এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, হামলার আগে আশপাশের এলাকার কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল অথবা সেগুলো অকার্যকর করা হয়। হামলাকারীদের পরিচয় আড়াল করতেই পরিকল্পিতভাবে ক্যামেরাগুলো বন্ধ করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হাজারীবাগ থানা-পুলিশ গুদামটি পরিদর্শন করে। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের উদ্যোগও নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে হামলার পর বারইখালী ও সিকদার মেডিকেল কলেজসংলগ্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তবে কী কারণে এ হামলা চালানো হয়েছে, কারা এতে জড়িত এবং কী পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
২৯ অক্টোবর এইচএসসির ফল প্রকাশ